Health&Beauty, Vlog

সুস্থ চুলের জন্য চাই সঠিক শ্যাম্পু

বর্তমানে চুলের পরিচর্যার জন্য বাজারে পাওয়া যায় নানা ধরনের প্রসাধনী সামগ্রী। এর মধ্যে রয়েছে হেয়ার সিরাম, ম্যাসাজ ক্রিম, স্প্রে এবং বিভিন্ন ধরনের শ্যাম্পু।  যুগ যুগ ধরে আজও চুলচর্চায় শ্যাম্পু বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রসাধনী। তবে এর ব্যবহার পদ্ধতিতে যোগ হয়েছে নতুন নতুন ভাবনা। চুলের নানা ধরনের পুষ্টির চাহিদা পূরণে এসব শ্যাম্পু গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতিদিনের ধুলা–ময়লা তাড়াতে চুলে শ্যাম্পুর ব্যবহার বেশ জরুরি। আবার শ্যাম্পুতে থাকা নানা ধরনের কেমিক্যাল চুলের ক্ষতিও করতে পারে। তাই শ্যম্পু করার কয়েক ঘণ্টা আগে, চুলে তেল ম্যাসাজ করে নিলে শ্যাম্পুর রাসায়নিক ক্ষতির প্রভাব অনেকটাই কম হবে। এবং অবশ্যই শ্যাম্পু নির্বাচনের ক্ষেত্রে বেশ সর্তক হওয়া চাই। নিজের মাথার ত্বক অনুযায়ী শ্যাম্পু নির্বাচন করাটা বেশ জরুরী। এ ছাড়া চুল সুস্থ রাখতে সপ্তাহে অন্তত এক দিন হট অয়েল ট্রিটমেন্ট নেওয়া যেতে পারে। চাইলে ঘরেই করা সম্ভব হট অয়েল ট্রিটমেন্ট। এ জন্য একটি পাত্রে আমন্ড, জোজোবা, আর্গান ও অলিভ অয়েলের প্রতিটি ২ চামচ করে নিয়ে সামান্য গরম করে মাথার তালুতে ও চুলে ভালোভাবে ম্যাসাজ করতে হবে। নিয়মিত এর ব্যবহারে চুলের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে মিশ্রণটি যেন বেশি গরম না করা হয়।

দূষণ ও রোদের তীব্রতা থেকে চুল বাঁচাতে ঘরেই তৈরি করতে পারেন চুলের প্রোটিন প্যাক। দুই টেবিল চামচ অলিভ অয়েলের সঙ্গে চুলের ঘনত্ব ও দৈর্ঘ্য অনুযায়ী একটি বা দুটি ডিমের কুসুম ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর চুলে লাগিয়ে অন্তত আধা ঘণ্টা পর শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। এতে চুলের প্রাকৃতিক রং আরও উজ্জ্বল হয় এবং চুলের ঘনত্ব বাড়ে।

বাজারে থাকা নানা ধরনের শ্যাম্পুর মধ্য থেকে বেছে নিতে হবে আপনার ত্বকের জন্য মানানসই শ্যাম্পু। আর এর জন্য আপনি নিশ্চিন্তে ভরসা করতে পারেন বিশ্ব বিখ্যাত স্কিন কেয়ার ব্র্যান্ড এক্সপেল এর উপর।

Argan Oil Shampoo With Moroccan Argan Oil Extract – 300ml

বর্তমান সময়ে অনেকেরই অল্প বয়েসই চুল পড়তে শুরু করে। দূষণ, প্রসাধনীতে থাকা রাসায়নিকের প্রভাবেই এমনটা হয়ে থাকে। এর থেকে রেহাই পেতে আমন্ড বা নারকেল তেলের সঙ্গে পেঁয়াজের রস মিশিয়ে চুলে লাগাতে হবে। সপ্তাহে অন্তত দুইবার এই মিশ্রণ ব্যবহার করা উচিত।

অনেকেই মনে করেন শর্ষের তেল চুলের জন্য তেমন উপকারী নয়। এ ধারণাটি ভুল। আবার এই তেল ব্যবহারে চুল চিটচিটেও হয়ে যায়। এ জন্যও অনেকে শর্ষের তেল ব্যবহারে আগ্রহী নয়। কিন্তু মাথার ত্বকে যেকোনো ধরনের ফাঙ্গাল ইনফেকশনে এই তেল বেশ উপকার। আবার চুল পাকার প্রভাব কমাতে শর্ষের তেল বেশ কার্যকর।

শুষ্ক, নির্জীব চুলের জন্য একটি ডিমের কুসুম, এক চামচ মধু এবং এক চামচ ক্যাস্টর বা আমন্ড অয়েল মিশিয়ে পুরো চুলে লাগাতে হবে। এবং আধা ঘণ্টা পর হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলতে হবে।

চুলের রুক্ষ ভাব দূর করতে একটা সম্পূর্ণ কমলালেবুর রসে ৭-৮ ফোঁটা চন্দন কাঠের তেল, ১ টেবিল চামচ মধু এবং কিছুটা পানি দিয়ে মিশ্রণ তৈরি করে নিতে হবে। শ্যাম্পু করার পর এই মিশ্রণ দিয়ে চুল ধুয়ে নিলে, শ্যাম্পুর ক্ষারীয় ভাব দূর হবে। ১০ মিনিট পর পানি দিয়ে আরও একবার চুল ধুয়ে নেওয়া উচিত।

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.